Thursday, December 25, 2008

ঝরা পাতার পদ্য

১.
প্রতিবাদি গ্রাফিতি শিল্পি দেয়াল ছেড়ে ‘পি.সি’তে,
বন্দি, অর্থললুপ রেশম পোকার বর্ধমান কোকুনে।
মেকি হাসির ক্ষয়ে যাওয়া দাঁত বন্দিত্ব দৃঢ় করে।
মরে যাওয়া চেতনা জ্বলে উঠে পিক্সেলের কারাগারে।

২.
ব্যঙ বেচারা ভালোই ছিলো কুয়োর তলাই ঘুমে
কেন তাকে দুনিয়া চেনালে মিথ্যা কথার ছলে!
অনেক উৎসাহে লাফ দিয়েছিল পার হবে প্রশান্ত
ঘুরেফিরে দেখে একই নোনাজল, ধোঁয়াটে সিমান্ত।
মরা কুয়োই ভালো ছিল তার সুখময় শীতনিদ্রা,
শিশির ভেজানো ঘাস ছিল আর বন্ধু কালো পিপড়া।

Monday, December 8, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ১৮

০৫.১২.২০০৮ । ১৫:৫৩
পথের দুপাশে বিস্তির্ণ
হলুদ সরিষার ভুঁই।
হলুদ মেখে, নেচে নেচে
ছন্দ তুলিস তু্ই!

-----------

১৫.১১.২০০৮ । ২০:২৫
ঝিলের ধারে কলমি ফুলে
বসে সবুজ ফড়িং,
তোর জন্য ধরতে গিয়ে
লাফিয়ে উঠি তিড়িং!
তবুও বলিস আমি নাকি
এককে বারে বোরিং!

------------
২২.১০.২০০৮ । ০১:১৪
মনটা আজকে রাতের
আধখাওয়া চাঁদের মত বিমর্ষ।
আমি তাকিয়ে রই তোর পানে
জল গড়িয়ে যায়... শতবর্ষ।
সাগরের ঢেউ আছড়ে পড়ে
তোর বুকে তীব্র মহাকর্ষ...!

-------------

১৮.১০.২০০৮ । ০০:৪৩
তোমার পথর মনের রূদ্ধ দেয়াল থেকে
কয়েকটা নিষ্ঠুর ইট আমি চুরি করব!
দরজা দেব, জানালা বানাব, সেই ছিদ্রতে,
জ্বেলে দেব সাতটা রঙিন মোমবাতি।
তোমার গোলে যাওয়া মনে সাঁতার দেব
লিখে দিব ঠোটে উঞ্চ নিবিঢ় অনুভূতি।

--------------

০২.১০.২০০৮ । ০৫:০১
ত্রিশ দিন রোজার শেষে
খাবার গন্ধে পাচ্ছে খিধে!
নতুন জামা নতুন বেশে
অনেক ফুরতি করব ঈদে!

-------------

০২.১০.২০০৮ । ০২:২৯
ভাবছো তুমি বড় হয়েছ
এখন কি আর ঈদ আছে হাই!
আর ভেব না এমন করে
জেগে ওঠো আজকে ভোরে,
গান গাও আজ অনেক জোরে
পেট পুরে খাও লাচ্ছা সেমাই!
দেখো ঈদ এখনো মজার হয়‍!

শুধু আমি আছি অনেক দুরে,
তোমায় স্বপ্নে দেখব বলে
আজ সারাদিন ঘুমের কোলে!

-----------

৩০.০৯.২০০৮ । ২৩:১৯
যেখানেই থাকি যতদুরে,
এ শুধু ভৌগলিক দুরত্বে!
মনে বাজে একই গান
গুনগুন করে তোমার সুরে।
পদ্মার পাড়ে আমি দাড়িয়ে।
তুমি আছো, প্রতিনিয়ত,
রক্তের মাঝে জলকনা হয়ে।

------------

২৮.০৯.২০০৮ । ১১:০৮
শহরের নকল সুখি সমাজে
আমিও সুখি মানুষের মত ঘুরি।
একবুক কষ্ট গিলে ফেলে
আমি হাসিমুখে চিবাই ঝালমুড়ি।
গন্তব্যহীন এলমেল উড়ে বেড়াই
আমি নাটাইহীন কাটা ঘুড়ি।

Saturday, September 27, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ১৭

২৬.০৯.২০০৮ । ১৩:৩৪
স্বচ্ছ জলকনায় রোদ খেলা করছে
চারপাশে ঝলমলে দুপুর।
প্রকৃতি আজ তোমার রূপে সেজেছে
জলকনার পায়ে তোমার নুপুর।

------------------------

২৫.০৯.২০০৮ । ০০:০০
পৃথিবীর প্রতিটি ধুলিকনা
সেদিন আবাক বিস্ময়ে চেয়েছিল
সেই মহাক্ষনের দিকে!
যখন তুমি এসেছিলে পৃথিবীতে
দশ দিক আলোকিত করে!
তোমার আলোর ঝলকানিতে
চাঁদ সূর্য লজ্জা পেয়ে মুখ লুকায়
সেই আলোকিত ভোরে!
তোমার জোছনা ঝরে..
সেই আলোতে আমি আলোকিত
হোলাম ৪ মাস পরে!
তোমার জন্মক্ষণকে শ্রদ্ধা জানালাম
মাথা নত করে।

------------------------

২৩.০৯.২০০৮ । ২১:৪৮
স্বপ্ন মেলে ডালপালা
শুধু তুই কাছে নাই তাই বেকুলতা,
কল্পনায় তোকে জড়িয়ে থাকি
যেমন পাতায় ডালে স্বর্ণলতা!

------------------------


২২.০৯.২০০৮ । ০১:০৫
তোর লাগি শুধু মন কাঁদে হাই
ছুটে গেলে দেখি তুই কাছে নাই!
তোরে ছাড়া আমি বাঁচব কোথাই?
৩ হাজার ফিট বড় দুর মনেহয়!
একবার ছুটে আয়, কাছে আয়।

------------------------


২২.০৯.২০০৮ । ০০:৩৪
৩ হাজার ফিট দুরে থেকেও
তোকে আমি ছুঁয়ে ফেলতে পারি!
মন আমি ঠিক ছুঁয়ে ফেলি
ভেঙ্গে দেয়াল, পাথর, ঘরবাড়ি।

------------------------


২১.০৯.২০০৮ । ০০:২৬
আমার মনের মেঘ
তোর মনে উড়ে বৃষ্টি ঝরায়,
তোর বৃষ্টির জল গড়িয়ে এসে
আমার মনকে শুদ্ধ করায়,
সূর্য তোকে দেখায় বোলে
বুক ফুলিয়ে করলো বড়াই,
বাতাস বলে ছুঁয়েছে তোকে
আমায় এসে টিটকারি দেয়!

------------------------

২১.০৯.২০০৮ । ০০:০৭
তোমার মনের শব্দ শুনতে
সদা জাগ্রত এই টেলিপ্যাথি,
একসাথে ফুল ফোটে রোজ
একসাথে ওড়ে প্রজাপতি।

------------------------

২১.০৯.২০০৮ । ২৩:৩২
আমরা যে কত হাঁটতে পারি
রাস্তার নাই ধারণা!
অবাক হয়ে গায়ে মাখে সে
আমাদের পদচারণা।
------------------------

২১.০৯.২০০৮ । ২৩:২৯
ভালোবাসি ভালোবাসি ।।
গুনগুন করে মৌমাছি মনে..
আমার বৌ কি সেই গান শুনে
রাখবে কি আমায় হৃদয় কোনে?

------------------------

২১.০৯.২০০৮ । ২৩:২০
তোমার নিটল সাদা হাতদুটো
মাত্র ৬ ইঞ্চি দুরে!
আমার হাতে বিদ্যুৎ খেলে
নিবিড় স্পর্শের সুরে!

------------------------

২০.০৯.২০০৮ । ১২:৫০
তোকে দেখিনা সেই কতদিন হয়!
একটু দেখব বলে কত অনুনয়!
ছুটে যেতে চাই তোর কাছে,
নয় অভিনয়।
একটু আদর দিই..?খুব লাগে ভয়!

Saturday, September 20, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ১৬

১৭.০৯.২০০৮ । ০০:৫৯
নদীর পাড়ে দখিনের বাতাসে
বসে ছিলাম
তোমার ভেজা চোখে তাকিয়ে,
হঠাৎ বৃষ্টি এসে ভিজিয়ে যায়
দুজনকে।
চাঁদের তরল আলোয় ভিজে যায়
তুমি আমি।
আজ সব নোনা জল আলোর জলে
ধুয়ে যায় চোখ থেকে,
তোমার কোমল হাসিতে ম্লান হয়ে
চাঁদ লুকায় মেঘে,
আমার বাহুতে লুকিয়ে তুমি
জড়িয়ে থাকি প্রবল আবেগে।

-----------------------

১৬.০৯.২০০৮ । ১৯:৪০
CAD এ বসে করি zoom
তাই সন্ধ্যায় লাগে ঘুম।
বসে থাকি আমি অপেক্ষায়,
যেন এবেলা তোর দেখা পাই।

-----------------------

১৫.০৯.২০০৮ । ২১:৫৩
আমার চোখেতে আজ
তোমার ছবি
তোমার চোখে কি আজ
মুঠোফোন কবি?
আমার আকাশে আজ মেঘ
তোমার আকাশে কি তারা?
প্রেমের বাতাসে আজ বেগ,
মনের নৌকাটা পাল ছাড়া!

-----------------------

১৫.০৯.২০০৮ । ২১:৪০
যখন মুঠোফোনে বাজে তোমার কন্ঠ
রাতের এই প্রবল ঝড়ে
ধুলোর মত উড়ে যায় সব দুঃক্ষ।
আঁধারে আমার উৎসবের উপলক্ষ্য!

-----------------------

১৪.০৯.২০০৮ । ০১:২২
আজ গেছিলাম বকুল তলায়
ফুল কুড়েতে,
তোর জন্য গাঁথবো মালা
সাঁঝ বেলাতে।
বাঁধবো তোর ওই বাচ্চা চুলের
ছোট্টো খোঁপায়,
দেখবো কবে দুচোখ ভোরে,
মনটা হাঁপায়।

------------------------

১৩.০৯.২০০৮ । ০০:১০
জোছনা মাখা বাতাস কোথাই!
এই শহরে ঘোরে শুধু ফ্যান।
কারেন্ট গেলে উড়ে পালাতো
লাল জামা পরা সুপারম্যান!

-------------------------

১২.০৯.২০০৮ । ২৩:৩৩
অনেকদিন পর পৃথিবী জোছনা ভালোবাসে
তাই আকাশে চাঁদ আজ প্রাণখুলে হাসে!
দেখ বারান্দা থেকে ওই বুঝি জোছনা মাখা
বাতাস ছুটে তোমাকে ছুঁতে আসে..!

---------------------------

১০.০৯.২০০৮ । ২২:৩৭
ফিরে ফিরে আসে সেই শব্দ
সেই গন্ধ বাতাসে..
বাতায়ন পাশে আমার দীর্ঘশ্বাসে
তোমার চুল ওড়ে এলোমেলো হয়ে,
আমি আকুল চোখে তাকিয়ে থাকি
তোমার শীতল মুখের দিকে,
সেই শীতলতায় দীর্ঘশ্বাসের বাশ্পোগুলো
আমার চোখের কোনায় জল হয়ে
গড়িয়ে পড়ার অপেক্ষায় থাকে,
তুমি একবার ফিরে চাইলে
অমনি সে ধীরে ধীরে গড়িয়ে পড়ে!
এইবার ছুঁয়ে দাও গালে,
জলকনারা যেন মাটিতে না পড়ে!

-----------------------

০৮.০৯.২০০৮ । ২৩:২৪
একটা ছোট মিষ্টি কথা
বলবি আমায় কানে কানে?
বলনা একবার “ভালোবাসি”
চেয়ে আছি তোর চোখের পানে...।

Friday, September 5, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ১৫

০৬.০৯.২০০৮ । ০০:৪৫
আমি গাছের মগডালে বসে
মিষ্টি লিচু ঝাঁকিয়ে পাড়ি
কুড়িয়ে কুড়িয়ে আঁচল ভরিয়ে
সেই রসে তোর ভিজল শাড়ি।
আমি বৈঠা হাতে নৌকা নিয়ে
মাঝ নদীতে গানটা ধরি,
তুই বসে ছৈ-এর মাঝে
তাকিয়ে থাকিস আকাশ পানে,
সাদা গাঙচিল আর রঙিন ঘুড়ি!
চলতে চলতে সুদুর দ্বীপে,
ঝরণা পাড়ের শাপলা তুলি,
উড়তে থাকে আকাশ জুড়ে
ভালোবাসার সেই স্বপ্নগুলি।


০৫.০৯.২০০৮ । ১২:৪২
চারপাশে এতকিছু ঘটে
তবুও সব শুন্য লাগে!
ড্রইং খাতা ছুঁড়ে ফেলে
তোমায় দেখার ইচ্ছা জাগে!


০৫.০৯.২০০৮ । ০০:২৩
রাস্তা পাশের চেনা গগন শিরিশ
আমায় শুধায়, বলতে পারিস..
তোদের এবেলা অনেক কাজ?
সারাবেলা তোরা কী করিস?
শোন্ সকল কিছু অর্থহীন আজ
যদি ভালোবাসা না পেয়ে মরিস!


০৫.০৯.২০০৮ । ০০:১৪
আজি এই আঁধারো নিশিথ রাতে
ভেজা চোখে ঘন ঘোর বর্ষাতে
মনেহয় বেড়াই পথে তোর সাথে..
হলুদ আলোয় কালো রাস্তাতে,
আমি তুই হাত ধরে একসাথে..।


০৪.০৯.২০০৮ । ২৩:৫৮
যাও মেসেজ বলো তারে
সে যেন লাঞ্চে আসতে পারে
চোখ জ্বলে যায় দেখবো তারে
মন উড়ে যায় উদাস হয়ে..!


০৩.০৯.২০০৮ । ২১:২৯
প্রেম ঝড়ে অকুল পাথারে
ডুবি আমি ডুবি রে...
ফুটো আমার ডিঙ্গির তলাতে!
খুঁজি আমি খুঁজি তোরে,
প্রবল ঢেওয়ে ডুব সাঁতারে,
হাসিমুখে ডুবি আমি
তোর বুকের সাগরে..।


০৩.০৯.২০০৮ । ০০:৩৯
ঘুম চোখে আমার প্রার্থণা তুমি
তোমার আকাশে উড়াই
নক্ষত্র ঘুড়ি,
স্বপ্নে এসো সারারাত জুড়ি,
তোমায় ছুঁয়ে ঘন গল্প করি।


০২.০৯.২০০৮ । ০১:৩৪
Erase the four months
From your age!
Make my model on yo base!
Its me there our kids’ dad,
Don’t deny me,
Don’t make me sad...


৩১.০৮.২০০৮ । ২৩:৪৮
মাথার মাঝে একটুকরো মেঘ,
মাঝে মাঝে বৃষ্টি ঝারায়।
‌একা আমি তোমার পানে
হাতটা বাড়াই...
একটু ধরো, ছুঁয়ে বলো
তুমি ভালোবাসবে আমায়..?


৩১.০৮.২০০৮ । ২৩:৩২
ধুলো পড়া ঘাসগুলো
আবার সবুজ হয়, শিশির কণার স্নেহে।
আমি আর তুই সেই ঘাসে শুই
ভালোবাসার জলকনা মাখি সারাদেহে।


৩১.০৮.২০০৮ । ০০:০৬
Don’t know
Whether you ever realized,
You ever thought of the
Ground beneath us! –
Is nothing but the crystallized
Water of my cry for love
That unpretentious.


৩০.০৮.২০০৮ । ২৩:৪৪
হঠাৎ হাওয়ায় কয়েকটা পৃষ্ঠা উড়ে
বন্ধ হওয়া বইটা একটু খুলে,
সেথাই পাতায় পাতায় তোমার ছবি
আর পাগল আমি মুঠোফোন কবি!


২৮.০৮.২০০৮ । ২২:২৫
সাগর পাড়ে আমাদের সেই দ্বীপ
নোনা জলোচ্ছ্বাসে ভেসে যায়।
একবুক কষ্ট আমি নিয়ে ডুবে যাই
শুধু নোনা জল, তুমি নাই!
আমি খড়কুটোর মত ডুবি
তোমাকে মনেপড়ে খুবই...
চিৎকার কোরে তোমায় খুজে যাই,
নিভে যায় ঘরের জ্বালানো প্রদীপ!


২৭.০৮.২০০৮ । ০০:০৮
Me, synthesizes those memories...
Those shaking breathtaking moments,
Me, recalls those blows of breeze
With your smell and humorous comments!
Its me, who waits for the second,
That passes through thundering pulses
In us with the violent current!


২৬.০৮.২০০৮ । ২৩:২৪
মাঝে মাঝে মনে হয়
গলির মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকি
তোমার অপেক্ষায়।
একটু একটু ভয় পাই..!
হারিয়ে ফেলি যদি
'উদ্ধার' না কর আমায়!


২৬.০৮.২০০৮ । ২১:৫৩
তোকে দেখি দুচোখ ভোরে
হারিয়ে যায় আমি অন্য গ্রহে,
ডুব দিই আমি স্বপ্ন সাগরে
ভুলে যাই কফি ঠান্ডা হচ্ছে
'বেঙ্গল ক্যাফে' তে...!


২৬.০৮.২০০৮ । ২১:৪২
আমি শুধু ভাবি,
আকাশ পাতাল ভাবি, তোমাকে নিয়ে,
কল্পনায় তোমার
মুখটা আঁকি নোনা জলরং দিয়ে।


২৫.০৮.২০০৮ । ১৭:৫৩
তোমার চোখে তাকিয়ে
আমি পৃথিবী ভুলে যাই
একচোখে তোমাকে দেখি
আর আরেক চোখে ঘুশি খাই!


২৪.০৮.২০০৮ । ২৩:৪৭
The streets are waiting,
Waiting for us to touch them...
Trees are praying, let them
Love forever.. let attach them


২৪.০৮.২০০৮ । ২৩:৩৯
পথের ধারের
সবকটা সোডিয়াম বাতিকে বলে দিব
নীল আমাদের প্রিয়,
ওদের বলবো হলুদ আলোতে
ভালোবাসা মিশিয়ে সব নীল করে দিও!
আমরা হাঁটব তো..
আড় চোখে তাকিও!

২৪.০৮.২০০৮ । ২২:২৪
এক অপার্থিব বন্ধনে
আমরা জড়িয়ে আছি।
সকল কাজে,সন্ধ্যা সাঁঝে
তুমি আমি মিশে আছি,
আমার যা কিছু
তার সবকিছুর মাঝে তুমি আছো।
তুমি বাঁচো শান্তিতে
আমি আছি
তোমার দিনলিপির কাব্যের
সকল পংক্তিতে।


২৪.০৮.২০০৮ । ০০:০১
আমরা ধীর পদক্ষেপে হাঁটি,
পায়ে পায়ে একই কাদামাটি..

বাতাসে উড়ে আসে
তোমার চুল
তার মাঝে গুঁজে দিই
হলুদ বনফুল


২৩.০৮.২০০৮ । ২৩:৩৪
ভাল্লাগেনা বোরিং বসে অঙ্ক শিখি,
ইচ্ছে করে নোটপত্র সব ফেলে দিই
খাতায় শুধু তোমার জন্য পদ্য লিখি!


২২.০৮.২০০৮ । ২৩:৩৬
শতবর্ষ পুরোন এক রাজবাড়ির উঠোনে
আমি গত জন্মের অশরীরি শব্দ শুনি!
আমি রাজা হয়ে প্রজার খাজনা গুনি,
দুর থেকে শোনা যায় নুপুরের রিনিঝিনি,
দোর খুলে আমায় দেখো তুমি মহারাণী!
উঠোনে তলোয়ার চালায় যুবরাজ প্রত্যয়,
আমি এসে বলি তলোয়ারবজি আর নয়,
শুধু ভালোবাসতে শেখো, মন কর জয়,
জয় কর লোকালয়, সমূদ্র, ক্রমাগত..
ভালোবাসতে শেখো তোমার মায়ের মত!

Friday, August 22, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ১৪

২১.০৮.২০০৮ । ২৩:৪৭
ড্রয়িং টেবিলে বসে কেটে গেল সারাবেলা,
রেখায় ছবিতে ডুবে সময়ের অবহেলা।
পেন্সিল হাতে তোর কথা ভাবি একেলা।
আমি হই প্যরালালবার
তুই হোস ট্রেসিংএ কালো রেখার খেলা!

---------------------

২০.০৮.২০০৮ । ২৩:৩৬
ঘরে ফিরে লাল চাদরে জড়ানো
তোমার মধুমাখা হাসির ছবিটা দেখি,
ঠিক যেন তুমি,
আদরের পাল উড়ানো, বধু বেশে‍‍!
একটু ছুঁয়ে ফেলি?

---------------------

২০.০৮.২০০৮ । ২৩:২১
আমার চারপাশের বাতাসে
এখনো তোমার গন্ধ,
তোমায় ছোঁয়ার কল্পনায়, আবেশে
এখনো আমি অন্ধ।
আমার সব চিন্তার সাথে
সারাবেলা তোমার সম্মন্ধ।
একটু ছুঁয়ে যাও,
শোনাও তোমার কথার ছন্দ..
তোমাকে কাছে না পেলে
আমি স্তব্ধ
আমার নিশ্বাস, আমার চেতনা
আজ বন্ধ।

---------------------

২১.০৮.২০০৮ । ২৩:১৪
চোখের পলক পড়তে নিলেই আটকে ফেলি!
তোমায় দেখব বলে সারাবেলা চোখ মেলি!

---------------------

২০.০৮.২০০৮ । ২৩:১২
তুমি কি সত্যিই আর ঘন্টি দিবা না?!
আমি কি আর শুনবো না
তোমার নাম লেখা শব্দে এই মুঠোফোন?
তুমি কি একবার দেখা দিবা না?!
আমি কি আর দেখবো না
তোমার চোখের মাঝে পথ হরানোর আয়োজন?

---------------------

১৯.০৮.২০০৮ । ০৪:১১
তোমার সাথে কথা বলার জন্যই
বেঁচে আছি এখনো।
তোমায় কাছে না পেলে সব অর্থহীন,
অসার, শুন্য..।
ভুল বুঝোনা আমায়, ক্ষমা কর,
যেওনা দুরে, একটু ছুঁয়ে থাকো।

---------------------

১৮.০৮.২০০৮ । ২৩:৩০
তোর জন্য দাঁড়িয়ে থাকি দক্ষিনের বারান্দায়,
গ্রিল ধরে তাকিয়ে থাকি আকাশে, নিরবতায়।
চাঁদ খুঁজি, খুঁজি তোকে, অশান্ত ব্যকুলতায়!
একটু আলো দে না.. সুখের প্রদিপ জ্বালায়!

---------------------

১৮.০৮.২০০৮ । ২০:৫১
এক অন্ধকার গুহার পাথুরে দেয়ালে
আমি মাথা ঠুকে মরি।
প্রতিটা নিশ্বাসে চিৎকার করে আমি
তোমার নাম পড়ি।
একবার এসো না তুমি আলো হয়ে,
চলো নতুন সভ্যতা গড়ি..!

---------------------

১৮.০৮.২০০৮ । ২০:২৭
Its me, its me in the air,
Inside you the burning flare,
Its me for you forever,
I possibly be....
You can not escape
Because you love me.

---------------------

১৮.০৮.২০০৮ । ১৬:২৩
তোমার শীতল কন্ঠ আমাকে দিশেহারা করে,
তোমাকে হারাবার ভয় আমাকে কাঁদায়
সূর্য ডোবানো ভোরে।
তোমার কন্ঠ, তোমার হাসি, আমাকে বাঁচিয়ে রাখে
তুমি মিশে আছো প্রতিটা নিশ্বাসে,
তুমি আছো তাই এখনো বেঁচে আছি,
ছুঁয়ে আছি তোমাকে।
আমি আছি তোমার পাশে, নিশ্বাসে, অটুট বিশ্বাসে।

---------------------

১৭.০৮.২০০৮ । ২৩:২৩
আমি এখনো ভেসে বেড়াই শুন্যতায়,
নিঃশ্ব চোখে, অভিমানে, চেয়ে থাকি ব্যকুলতায়।
তুমি কি আমার হবে কখনো?
ধরবে আমার হাত? আলোক উজ্জল নীলিমায়?

---------------------

১৭.০৮.২০০৮ । ২২:০২
তোমার সাথে ঘোটে চলে অদ্ভুত টেলিপ্যাথি!
মুহূর্তগুলো মিলে যায় যখন কল্পনার রাস্তায় হাঁটি।
তোমায় জানিয়ে দেয় এক অদৃশ্য বিজলি
আমি কখন মনে মনে তোমার কথা ভাবি!

Sunday, August 17, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ১৩

১৬.০৮.২০০৮ । ২৩:০৮
প্রার্থণা করি দৃঢ় প্রত্যয়
অটুট প্রতিশ্রুতিতে, শান্তির প্রত্যাশায়।
প্রার্থণা করি নিখাদ ভালোবাসায়
ভবিষ্যতের তরে
যেন সুবাতাস বয় চিরকাল
আমাদের ঘরে।

--------------------

১৬.০৮.২০০৮ । ১৯:০৪
নষ্ট পৃথিবীর বিস্মরণে দেহ বন্দি।
হাতে পায়ে লোহার শিকল।
তবু মন বাঁধে স্বপ্নের সাথে সন্ধি,
মুক্ত আমি তোমায় ভাবি
চুরি করে মুহূর্ত সকল..।

--------------------

১৫.০৮.২০০৮ । ২৩:৫৭
আজ রাতে দুইটা পাখি
ঘরে ফেরে ক্লান্ত হয়ে
ময়ূর বলে,
তুই ঘুমা শান্ত হয়ে,
আমি থাকি পাহারা হয়ে।
ঝড় এলে শক্ত করে
আগলে রাখব ডানা দিয়ে।

--------------------

১৫.০৮.২০০৮ । ১৯:৩৭
দেয়াল জুড়ে স্বচ্ছ জানালা দিয়ে
নীল পানি দেখা যায়,
তার মাঝে দুটো লাল মাছ
সাঁতরে বেড়ায় (আমাদের মত!)।
তুমি বসে জানালা পাশে,
দক্ষিনা হাওয়ায় খোলা চুল ওড়ে,
আমি রং তুলি হাতে
তোমার ছবি আঁকি প্রবল আগ্রহে,
প্রত্যাশা ছুটে এসে
তোমার আঁচল টেনে বলে,
দেখ, বাবার চোখ ভিজে যায় জলে
ভালোবাসায়, আনন্দে..।

--------------------

১৪.০৮.২০০৮ । ২৩:৪১
একবার তাকাও না আমার দিকে
হাতটা ধর এই চোখে তাকিয়ে,
একটু হাসো না ঘর আলো কোরে,
আমি গাল ফুলিয়ে বসে কখন থেকে!

--------------------

১৪.০৮.২০০৮ । ২৩:২৬
আমি আলোর পেছনে ছুটি,
কারন আমি তো ছাঁয়ার মত
তোমার পাশে থাকতে চাই।
ইচ্ছা করে, আমি হই
তোমার কানের দুল দুটি,
কারন আমি সারাক্ষন
তোমায় ছুঁয়ে থাকতে চাই।

---------------------

১৪.০৮.২০০৮ । ১৯:৩০
এই পথে চলতে বড় ক্লান্ত লাগে,
ভালোলাগেনা আর, দৌড়াতে সবার আগে,
শুধু ভালোলাগে উড়তে আমার..
তোমার গন্ধমাখা ফুলবাগে!

----------------------

১৪.০৮.২০০৮ । ০০:২৮
এই তো আমি এসেছি,
প্রবল ভালোবাসায় তোমায় ছুয়েছি,
দেখি একটু চোখ বুঁজ তো
নোনাজলটুকু মুছে দিই
আমি আছি, আমি আছি সারাক্ষন
সয়নে, স্বপনে ছুয়ে তোমার মন।

----------------------

১৩.০৮.২০০৮ । ২৩:১০
এই কালে যখন ঘরে ফিরি
মনেহয় যদি একটু আগে যেতে পারি..!
ঠিক যেন তুমি বসে আছো ঘরে
আমার অপেক্ষায় চোখ লাল কোরে!
আমি দরজা খুলেই তোমায় আঁকড়ে ধরি।

-----------------------

১৩.০৮.২০০৮ । ০২:২০
বন্দনা করি তোমায়, বন্দনা করি
হে চিরচেনা...
তোমার তরেই বেঁচে আছি আমি,
আমাকে তাড়িয়ে দিওনা...।
মিনতি করে বাড়িয়েছি হাত
একবার শক্ত করে ধর না...।

------------------------

১২.০৮.২০০৮ । ২১:১৫
তোর জন্য বসে আছি,
বসে বসে পাতা গুনি...
কখন আমি দেখব তোরে,
ফুল ফোটানো উজল ভরে?
কল্পনাতে
তোর হাসির ওই শব্দ শুনি!

-------------------------

১২.০৮.২০০৮ । ২০:০১
লেকের পাড় ধরে যখন হাঁটি
ডিজাইন নিয়ে ভাবি,
আর চোখে দেখি জল মাটি..
তার মাঝেও অস্থির মন,
করে স্বপ্নে বিচরণ..
আমাদের ঘর, শুভ্র চাদর
আর ঘটি বাটি....।

Tuesday, August 12, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ১২

১২.০৮.২০০৮ । ০১:০৬
তুমি ফুল বলেই অহংকার তোমাকে মানায়
রং, গন্ধ আর মধুতে ভরা কানায় কানায়।
আর আমি ভ্রমর বলেই ভর করে ডানায়
গুন গুন করে বলি ভালোবাসি তোমায়...

--------------------

১১.০৮.২০০৮ । ২৩:৩২
মনে রেখো আমি এসেছিলাম,
আমি এসেছিলাম..
বসন্তে, বাগানে ভ্রমর হয়ে।
তুমি ফুল হয়ে অহংকারে
ছুঁতে দাওনি আমাকে...।

আমি বিদ্রহী, আমি অভিমানী,
আমি চিরচেনা ঝড়
তোমার বাতাসে!
আমি সেই ঝড়, নিয়ে সেই
ভালোবাসা অমর
তোমায় নিয়ে যাই উড়িয়ে।
উথাল পাথাল তোমার
বুকের সাগর,
চেতনায় দেখ ‘আমি’ বিভর
সব বাধা দেই পুড়িয়ে।

তোমার আমার চেতনা
মিলে মিশে একাকার,
আমরা দুজন জড়িয়ে থাকি
সারাবেলা পরপার...।

------------------------

১১.০৮.২০০৮ । ২২:৪৫
ছোট্টবেলা একটা পাখি
গড়েছিলাম মাটি দিয়ে।
সেই নিষ্ঠায় ছোট্ট এ-ঘর
গড়ব আমি তোকে নিয়ে।
মাটির পাখি সুখ-পাখি হয়ে
উড়বে দেখিস গান শুনিয়ে..!

Sunday, August 10, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ১১

১০.০৮.২০০৮ । ১২:২২
ঘুম থেকে উঠে আমি যা’ই করি
তার মধ্যে আমি তোর কথা ভাবি,
তুই ঠিক আছিস? কিছু খাবি?
জানিস? তোর হাতে আমার
সকল স্বপ্ন আর সুখের চাবি?

---------------------

09.08.2008 । 01:11
The best composition on earth
Is your face!
Full of excitement, elegance
And grace!
Every detail curve how precisely done!
Only god could do it, not Corbu or Kahn.

---------------------

০৯.০৮.২০০৮ । ০০:৫৫
আকাশে দেখ মেঘের ডাক,
সব কষ্ট আজ দুরে চলে যাক,
তপ্ত গরমে আজ বয়ে যাক
শীতল হাওয়া....।
মাঝে একটু উষ্ঞতা...
তোমার আলতো ছোঁয়া!

---------------------

০৮.০৮.২০০৮ । ২২:০৫
আমি বসে থাকি শীতের অপেক্ষায়
কুয়শার চাদরে, উষ্ঞ আদরে
তোমায় জড়িয়ে স্বপ্ন দেখাই...।

---------------------

তুমি লিখেছিলে:
০৭.০৮.২০০৮ । ২২:৩৭
“কেউ নাই আঁধারে, কেউ নাই আমার
আঁধারে জছোনা হয়ে সারারাত ছুয়ে যেতাম
মাঝ রাতে তুমি ঘুমিয়ে গেলে
যদি আমি পূর্ণিমা হোতাম!
সারারাত ছুয়ে যেতাম আমি অন্ধ যারে..।“


আমি দিশেহারা হয়ে তাড়াহুড়ো করে লিখলাম...

০৭.০৮.২০০৮ । ২২:৫০
কে বলেছে কেউ নাই?
এই তো আমি জড়িয়ে তোমায়,
আলো হয়ে তোমার চোখের কোনায়,
তোমার জোছনায় ফিসফিসিয়ে
এই তো আমি গান শোনাই...!

---------------------

০৭.০৮.২০০৮ । ২০:০৯
তোর জন্য তিনটা ফুল,
একটা পাতা ঝড় নিয়ে গেল উড়িয়ে!
হঠাৎ একটা প্রজাপতি,
সেই রঙিন পাপড়িটা নিল কুড়িয়ে।
ও প্রজাপতি..! পাপড়িটা দিস
আমার বউ এর চুলে মুড়িয়ে।

---------------------

০৭.০৮.২০০৮ । ২০:০৭
একদিন শুধু আমার জন্য
হয়ে যাস তুই একটু বন্য!
ভুলে যাস চারপাশ সেদিন
সব হয়ে যাক শুন্য...।
শুধু আমি আর তুই
আর সব অচেনা...
সেই পথ হবে অন্য!

---------------------

০৭.০৮.২০০৮ । ১৯:৫০
তোমার কাছে যাওয়ার আকর্ষণ
যখন ঝড়ের মত তীব্র,
তখন সব ভেঙ্গে ছুটে যেতে চাই,
সব জাল আমি ছিড়ব।

---------------------

০৬.০৮.২০০৮ । ২০:০২
যতদুরে পালাও
আমি থাকবই পাশে ছায়ার মত।
আমায় যত তাড়াবে দুরে
জাপটে আমি ধরব তত!

তোমার নিঃশ্বাসে সৌরভ হয়ে
ঢুকব আমি ইচ্ছামত...।

---------------------


06.08.2008 | 03:28
I love you
More than the clouds can rain.
When I see you…
My heart pounds like a train,
I forget
All my frustration and all my pain.

---------------------

০৫.০৮.২০০৮ । ১৯:৩০
হঠাৎ তোমার মত গন্ধ বাতাসে!
বুঝি হ্যালুসিনেশন,
শুন্যের পানে তাকিয়ে রই হতাশে।
ওই ছায়াটা কি তুমি?!
নাহ্ তোমার মত সবুজ পাতা সে!

---------------------

০৪.০৮.২০০৮ । ২৩:১১
ঝড়ের রাতের কুপি বাতির মত
জ্বলে নিভে আলো,
আবছা অন্ধকারে তোমার আঁচল
দেখা যায়না ভালো,
তবু আমি হাতড়াই
তোমায় ছুঁতে চাই,
ধীর পদক্ষেপ এলোমেলো...।

---------------------

০৩.০৮.২০০৮ । ২৩:৫৩
খুব ইচ্ছা হয়
যদি আমার সব কাজ, সব যন্ত্রণা
একদিনের জন্য কাওকে দিতে পারতাম!

তাহলে ওই শান্ত দিনের প্রতিটা সেকেন্ড
আমি শুধু তোমাকে দিতাম।

---------------------

০৩.০৮.২০০৮ । ০১:৪৮
তুমি বন্ধু, তুমি সঙ্গি,
তুমি প্রেম, তুমি বৌ,
আজ এই বন্ধুত্বের দিনে
সবচে কাছে সে তো তুমি
নয় অন্য কেউ।

---------------------

০২.০৮.২০০৮ । ২৩:৫৩
ঝরণার নিচে দাড়িয়ে
আমি পানির কনা গুনি,
ভেজা চোখে তাকিয়ে
চলে যাওয়ার শব্দ শুনি।

---------------------

০১.০৮.২০০৮ । ২৩:৪৮
ভাগ্য ভালো, এই দুনিয়ায়
আইসক্রিম আর ফুচকা ছিল!
সেই অসিলাই তোমার সাথে
দুই ঘন্টা থাকা হলো!
ঘুরতে ঘুরতে তোমার সাথে
স্বপ্নপাখি মেলছে ডানা...
এমন দিনও আসবে দেখো
তিন বেলাতে এক ঘরেতে
পিচ্চিগুলো দিবে হামা।

---------------------

০১.০৮.২০০৮ । ২২:২৭
তখন তোমার আমার একই পকেট
খুচরা আর আট আনা,
সারাটাক্ষন একসাথে,
উপলক্ষ আর লাগবে না..!

---------------------

০১.০৮.২০০৮ । ১৪:২৫
চেয়ে থাকি কালো রাস্তার দিকে,
ভালোবাসা পুড়ে লোহার শিকে,
কেউ সেই কাবাব কেনে মহাসুখে।
আর, নোনা জলের স্বাদ আমার মুখে!

Wednesday, July 30, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ১০

৩০.০৭.২০০৮ । ২০:৫৩
Nagging you for lunch,
nagging is the power!
I pray to the nature
every-hour be the lunch-hour!
Your aroma, the ambiance,
turn on the fire n the sense,
in the dusk light shower.

---------------------

২৯.০৭.২০০৮ । ২১:০৫
পালাই চল্ সেই বন পাহাড়ের দেশে
আমরা একা,
সাগর তীরে, ছোট্ট নীড়ে,নোনা গন্ধে
জড়িয়ে থাকা।
সেথাই আমি,তুই,সবুজ শাপলার ঝিল
ছোট্টো নৌকা, ভালোবাসা আর
অপার নীল।

---------------------

২৯.০৭.২০০৮ । ২১:১৪
সেই বন পাহাড় আর
ঝরনার দেশে,
ফিরব যখন ক্লান্ত হয়ে
বীরের বেশে।
খাবার দাবার, রান্নাবাড়া
সকল শেষে,
আমায় একটু করিস আদর
মুচকি হেসে?

---------------------

২৯.০৭.২০০৮ । ২১:২৪
টেনশন নেহি লেনেকা !
খানা খাজানা ম্যায় পাকাউঙ্গা।
তু বাস মেরে নাজারমে দেখ,
বাকি ম্যায় সেহলুঙ্গা..।

---------------------

২৯.০৭.২০০৮ । ২০:৫৩
তারার পানে তাকিয়ে
বিস্ময়ে দেখি
আকাশ জুড়ে তোমার প্রতিমা।
আলোর ঘুর্ণি দিয়ে তৈরি
তোমার আঁখি,
নিটল,তন্বী অপূর্ব তুমি,পরমা।

---------------------



২৮.০৭.২০০৮ । ২২:৪৮
তোমার চোখ, তোমার হাসি,
তোমার হাতের চুড়ি,
প্রজ্বলিত করে সেই আলো,
আমার অনুভূতি।

আমি নতুন করে শিহরিত হই
প্রতিক্ষণে,
যতবার তোমায় দেখি আড়চোখে
একমনে।

দমকা হাওয়ায় কথার ছন্দ
তোমার উপস্থিতি, তোমার গন্ধ,
আমার প্রার্থণা।

তোমার প্রজ্বলিত আলোর নদীতে
ডুব সাঁতার, আমার চেতনা।

আমাদের পিচ্চিগুলো আর হয়ত
স্যান্ডউইচ ছেলেটা,
আমার কল্পনা।
বলো তো.. সব সত্যি হবে না?

---------------------

২৭.০৭.২০০৮ । ২৩.১৯
ভাবছি বসে হতাশ হয়ে,
যদি আমি মাহদিন হোতাম!
তোমার কাছে ৫ মিনিটে
য়েত্তো য়েত্তো আদর পেতাম!

---------------------

২৭.০৭.২০০৮ । ১৯:৫২
বড় অভিমান নিয়ে
মুখ কালো করে
বসে থাকি
তোমার ঘন্টির আশায়।
মাঝে মাঝে মনে হয়
এখনি ছুটে যাই
তোমার বাসাই..।
ঘুমন্ত তোমাকে
যত্নের সাথে
করি ছিনতাই..!

----------------------

২৭.০৭.২০০৮ । ১৫:০১
সকল অনুভুতির কেন্দ্রবিন্দু
এখন তোমায় দেখার স্বাধ।
ক্ষিধা, ঘুম, আড্ডাবাজি
চা কফি, সব কিছু বাদ।
শুধু অপেক্ষা........!

----------------------

২৭.০৭.২০০৮ । ০০:১৮
প্রতিটা নিউরন
হাতুড়ি পিটিয়ে জানতে চায় আমার
আমি কে?
কেন ধ্বংশ হই বারেবার?
হৃদকম্পন থামিয়ে রেখে অপেক্ষায় থাকি,
কড়া নাড়িয়ে যাই,
তবু তোমার রুদ্ধ দ্বার।

---------------------

২৭.০৭.২০০৮ । ০০:০৪
আমি সেই ভয়াবহ কঠিন অনুভূতিগুলোর মাঝে বিলীন হই।
রক্তের কোনাই কোনাই টের পাই সেই প্রজ্জলিত সত্য,
ভালোবাসা কারে কয়!

---------------------

২৫.০৭.২০০৮ । ২১:৪৪
অন্ধকারে নীলচে আলোয়,
কষ্ট জমে ধূসর কালোয়।
চেতনা জুড়ে তোমার গন্ধ,
তোমার জানালা তবু বন্ধ?
দরজা খোল, একটু আসি,
দেখ কত্তো ভালোবাসি..!

---------------------

২৫.০৭.২০০৮ । ১৭:৩৫
Seconds pass away,
I just think of you
Walking along the way...

Thursday, July 24, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ৯

২৪.০৭.২০০৮ । ১৬:২৫
তোমার তো ভুলো মন...
একবার মনের দরজা
লক্ করতে ভুলে যেও!
অপেক্ষায় আছি অনেক্ষন..
আমি ঢুকে গিয়েই লক্ করে দেব
যেন না আসে অন্য কেও।

------------------------

২৪.০৭.২০০৮ । ০২:৩৯
অবাক মনের দুঃক্ষ বিলাস,
ভাল্লাগেনা কিছু....
সারা জীবন ঘুরবো দেখ
তোমার পিছু পিছু..।

---------------------

২৩.০৭.২০০৮ । ১৪:২৫
কালকের মত ক্যামেরার ফ্ল্যাশ না,
আমি চাই সূর্যের ঝলসানো আলো,
সারাবেলা।
রাতের তারার আলোর
মিটিমিটি জ্বলা নেভার খেলা।
তুমি আমি জেগে একলা,
সেই আলোতে নীল রঙের ছায়া।

----------------------

২২.০৭.২০০৮ । ২১:০৭
মাথার ভেতর সুক্ষ যন্ত্রণা,
অচেনা ঘোরের মধ্যে
দোল খায় চেতনা।
এলোমেল গোলিত চিন্তাগুলো ধুসর!
সেখানে তোমার সাথে গল্পের
surrealist আসর।

----------------------

২২.০৭.২০০৮ । ০০:১২
গলা ছেড়ে গাইবি যদি হাট্টি মাটিম টিম,
তোর জন্য আনবো সাদা টিকটিকির ডিম।
খেলতে যদি নিস আমাকে তোর পুতুল ঘর,
কমলা রঙের বরফ পাবি, আমায় বানাস বর।

------------------------

২১.০৭.২০০৮ । ১০:৫১
পৃথিবীর শুদ্ধতম কাজ, তোমায় পদ্য লেখা,
চারকোল নিয়ে তোমায় আঁকতে শেখা,
আর আলোয় আঁকা তোমার ছবি দেখা।
এখন তোমার ছবি দেখছে কবি,
মনটা ভিষন ফাঁকা।

---------------------

২০.০৭.২০০৮ । ২২.৫৬
বাইরে সেই আইসক্রিমওয়ালার ঘন্টা!
পুরোন কাগজ, আর একটা আধুলি
তোকে দেব কোনটা?!
পিচ্চি তুই পাশের ছাদে
আইসক্রিমের অপেক্ষায় একটু কাঁদে,
খারাপ করে মনটা।
কমলা রঙের গলে যাওয়া বরফ হাতে
ছুটে যাই আমি,
তোর ফোকলা দাতের মিষ্টি হাসিটা,
আমার আধুলির চেয়ে কোটিগুন দামি।

আদর দিয়ে চোখটা মুছে,
কমলা হাসি, চোখটা বুজে,
ঠান্ডা রসের মিষ্টি স্বাদে
দুজন মিলে হাসছি ছাদে!

------------------------

২০.০৭.২০০৮ । ০০:০৭
মাঝ নদীতে উথাল পাথাল
কালবৈশাখি ঝড়ে,
ভয় নাই কোন, এই তো আমি!
ধোরে রাখো শক্ত করে।

Saturday, July 19, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ৮

১৯.০৭.২০০৮ । ০২:৫৬
তোমার আমার গল্প শুরু,
আলোর লেখায় মনিটরে!
সালাম জানাই ওদের, গুরু
যারা FB তে কোডিং করে।
------------------

১৯.০৭.২০০৮ । ০২:৫২
পড়ছ তুমি আলোর লেখা
আসল কথার পাচ্ছো দেখা?
আলোর লেখা মেঘ হয়ে ওই
যাচ্ছে উড়ে মেলছে পাখা..

------------------

১৯.০৭.২০০৮ । ০২:৪৭
পালের নৌকা ছুটে চলে,
কথার যত দমকা হাওয়ায়।
আমার বৌ টা য়েত্তো ভালো
আমায় মিষ্টি আচার খাওয়ায়।

--------------------

১৯.০৭.২০০৮ । ০২:৪৫
একটা কথা, দুইটা কথা,
তোমার আমার অনেক কথা
কথার মাঝে কান্না হাসি
তোমায় য়েত্তো ভালোবাসি!

-------------------

১৮.০৭.২০০৮ । ২১:১৬
আমি অন্ধকার ভয় পাইনা আর,
আমি জানি,
সব আলোকিত হবে আবার!
তুমি আসবে পৃথিবী আলো কোরে..
আমার সব কষ্ট মুছে দিয়ে।

-------------------

১৭.০৭.২০০৮ । ২১:০৬
চারপাশে এত কথা,
এত কাজ,এত যন্ত্র!
তবু মনে বাজে সকাল সাঁঝ
শুধু তোমায় পাবার মন্ত্র।
আর কানে বাজে একটাই সুর
সে তো তোমার চেনা কন্ঠ।

-------------------

১৬.০৭.২০০৮ । ২৩:২২
বিচ্ছিরি সব কাজের চাপে,
ক্লান্তিতে সব বিস্বাদ লাগে।
মুক্তি পেয়েই ফোনের বোতাম,
তোমার কথা সবার আগে!

Wednesday, July 16, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ৭

১৫.০৭.২০০৮ । ২৩:৫৫

বৃষ্টি ঝরে জানালা পাশে,
বৃষ্টি ঝরে দীর্ঘশ্বাসে।
বৃষ্টি পড়ে রাত্রিদিন...
ঝরুক এবার সুখ বৃষ্টি,
আজ শ্রাবণের প্রথম দিন।

----------------

১৫.০৭.২০০৮ । ২২:৩৩

যখন তোমার নিটল পায়ের
শীতল ছন্দ
আমার পাশে উড়াই ধুলো,
প্রাণ ফিরে পায়,
মন খুলে গায়,
ধানমন্ডির রাস্তাগুলো ।

-----------------

১৪.০৭.২০০৮ । ২০:২১

তুমি যদি একবার হাস
আমার পানে চেয়ে,
আর কখনো নামবেনা জল
আমার দুচোখ বেয়ে।
ভয় পেয়ো না,
তোমার কাছে কোন দাবি নেই
মুক্ত স্বাধীন মেয়ে..!

------------------

১৪.০৭.২০০৮ । ২০:৪২

বাতায়ন পাশে ভেজা গন্ধ,
স্বপ্ন কবিতায় কাটে ছন্দ।
আমি থাকি দুরে দাঁড়িয়ে,
তোমার জানালা বন্ধ।
ঠিক তখনি
আঁচল উড়িয়ে,স্বপ্ন কুড়িয়ে,
তোমার আসার শব্দ !

Sunday, July 13, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ৬

----------------
১৩.০৭.২০০৮ । ১৬:২৮

তুমি, তোমার চোখ,
তোমার হাসি....
সভ্যতার জাল চূর্ণ করে
মনেহয় তোমার পাশে আসি।
তোমার চোখের রহস্যে
ডুব দিয়ে বলি
'তোমায় ভালোবাসি'।

------------------
১২.০৭.২০০৮ । ১৯:১২

যখন আঁকি স্কেচ খাতাই
বাজে সেই সুরের মাদোল,
দমকা হাওয়া, বয়
ঝোড়ো বৃষ্টি বাদল।
যা কিছু আঁকি
তার মাঝে দেখি
শুধু তোমার মুখের আদল!

-------------------
১১.০৭.২০০৮ । ২১:৩১

প্রতিটি শিল্পের জন্মলগ্ন
মানব শিশুর সৃষ্টিলগ্নের মত
আবেগঘন!
একটা গানের জন্মের মত
উন্মাদনার বৃষ্টি,
আমাদের ভালোবাসা সৃষ্টির মত
আবেগপূর্ণ!

--------------------
১০.০৭.২০০৮ । ১৯:০৭

নিশ্ছিদ্র ব্যস্ততার জাল ফুটো কোরে
তোমার কথা ভাবি...
মাথার ভেতর লতাই পাতাই অলিতে গলিতে
আঁকা তোমার ছবি!
যখন সব ধুয়ে মুছে একাকার চারপাশে
শুধু বিরাণ ভূমি...
তখন একমাত্র সবুজ গাছ ছায়া দেয়
সে তো তুমি ।

---------------------
০৯.০৭.২০০৮ । ২৩:৫৯

আমি ভয়ে অস্থির হোই
যখন মনে পড়ে, তুমি যদি চলে যাও!
(তুমি যদি হারিয়ে যাও অনন্তে!)
আমি দুমড়ে মুচড়ে ভাঙ্গি গড়ি
কিন্তু তুমি যদি ফিরে না চাও?

কালো মেঘ ছেয়ে যায় দিগন্তে...।

Wednesday, July 9, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ৫

০৯.০৭.২০০৮ । ০০:২৪

আমার ভাঙ্গা চেয়ারটা ঠিক করি,
তুমি বসবে বোলে...।
আমার শক্ত দেয়ালটা ভেঙ্গে ফেলি,
তুমি আসবে বোলে..।
সকল চেতনা কেন্দ্রিভূত হয়
তোমার আলোর তলে..।
আমি সব ভেঙ্গে চুরে ছুটে যায়,
তোমার পাশে বসবো বোলে।

--------------------
০৬.০৭.২০০৮ । ২১:৩০

এই বর্ষায় আকাশে
শুধু কালো মেঘ দেখা যায়।
তাই প্রিয় নীল দেখি
শুধু তোমার জামায়..!

---------------------
০৫.০৭.২০০৮ । ০০:৩৬

আলোর পথে অগ্রসর হোই
পোকার মত।
জ্বলে পুড়ে নিশ্ব হোই, ধ্বংশ হোই
আগুন স্পর্শের ক্ষমা নাই,
তবু ঝাপিয়ে পড়ি
'সো কল্ড' বোকার মত!
আমি পুড়ে কালো ছাই হোই,
তবু আমি আলো চাই,
আরো আলো...
তোমার সবটুকু আলো জ্বালো,
আমি তার মাঝে ঝাপিয়ে পড়ে
নিশ্ব হোই...।

-------------------
০৪.০৭.২০০৮ । ২২:৩৮

অনেকদিন এত জোরে হাঁটিনি!
আজ তোমার কাছে যাওয়ার জন্য
প্রায় দৌড় দিয়েছি.....
অনেকদিন এত অস্থির হইনি!
এখন তোমাকে না পেয়ে
চোখ ভিজাচ্ছি।

------------------
০৩.০৭.২০০৮ । ২২:১৩

ঘরের মাঝে লুকিয়ে একা,
তোমার আঁচল দিচ্ছে দেখা।
উড়িয়ে নেবে এক পলকে
ক্লান্ত আমায় সেই ভুবনে,
যেথায়
তোমার হাওয়ার ঝাপটা মুখে
হৃদ কম্পন থামিয়ে রাখে।

Wednesday, July 2, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ৪

আলোর পথে পতঙ্গ
০২.০৭.২০০৮ । ২২:২৮

বিপদ সংকেত উপেক্ষা কোরে,
ব-দ্বীপ সমান পাল নিয়ে,
মাঝি ছুটে চলে তীরের পানে...

কে জানে ওই বাতিঘর কী
যায় ভুল পথে নিয়ে?
এক্ষুনি ঐ ঝড় এল বোলে..

ঐ তীরে যার আঁচল উড়ে
সে কি জানে, তীরের আকর্ষণে
বজ্রে মাঝির পাল পুড়ে?

------------------

০১.০৭.২০০৮ । ২২:৫১

হলুদ পথে রিক্সা করে,
ফিরছি ঘরে রাত্রি বেলা।
ভাবছি বসে তোমায় শুধু
একলা আমি অপার ধুধু।
তোমায় নিয়ে স্বপ্ন বুনি
কত আশার মেলা...!

------------------

৩০.০৬.২০০৮ । ১৯:১৩ (রাজশাহী)

ইশকুল পালিয়ে
পদ্মার বালুচরে
দল বেঁধে হারিয়ে,
গাছপালা হাঁটুজলে,
উড়াই উড়াই ঘুড়ি
পাগলা হাওয়ায়..।
তোমার হাত ধোরে
ওই বিকাল বেলায়।

--------------------

২৯.০৬.২০০৮ । ২০:২৪ (রাজশাহী)

হাতের মুঠোয় আসতো তবে চাঁদ,
যদি তোমায়-আমায় ঢাকতো একই ছাদ।
তুমি বসে নাতির জামা বুনতে সাদা সুতোয়
আর সোহাগ ভোরে তাকিয়ে আমি
আদর হাতের মুঠোয়।

--------------------

২৮.০৬.২০০৮ । ১৭:১৯ (রাজশাহী)

এই যে এতদুরে বসে
তোমার কথা ভাবি,
একটু যে হাসব আমি
সে তো তোমার হাতে চাবি!
তুমি আসোনা তাই
মন খারাপ খুবই,
একলা বসে, নীলচে ঠোটে
দাঁত দিয়ে নখ খুটি..।

--------------------

Friday, June 27, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ৩

যখন তুমি
একটু দুরে,
তোমার গানই
গাইছি সুরে,
তুমি এখন
মুক্ত পাখি,
ইচ্ছে করে
এই সময়ে
দৌড়ে গিয়ে
তোমায় দেখি।
--------------

তুমি নাই
আর আমি ফুর্তি নিয়ে কাজ করব?
তুমি নাই
আর আমি কাজে ঝাপায়ে পড়ব?!
তুমি আছো
তাই মন বসে কাজে,
প্রাণ খুলে দম নিই
যখন ফোনে ঝামটা বাজে :-)

----------------

আজ তোমার এক ঝলক হাসি
ছিল চৈত্রের রোদে ঝড়ো হাওয়া
বৃষ্টির মত..।
ধুয়ে মুছে নিয়ে যায় অবসাদ
আর ব্যস্ততার গুমোট
ক্লান্তি যত..।
আজ চিতকার করে
বলতে চেয়েছিলাম
কী ভীষন সুন্দর তোমার হাসি!
এত্ত আপন লাগে..
তোমায় এত্ত ভালোবাসি..!

----------------------

বন্ধ দরজায় টোকা দেয়
সন্ধ্যা বেলার উদাস পাগলামি।
দরজা খুলে দেখো,
দাড়িয়ে আছি তোমার জন্য আমি,
তখন আলোর মত হাসি নিয়ে
দোর খুলে দেয়
আমার নাতনির নানি।

Thursday, June 19, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ২

অফিস থেকে বেরিয়ে ধানমন্ডি লেকের পাড়ে হাল্কা বৃষ্টির মধ্যে একা একা বসে ছিলাম। তোমার কথা মনে পড়লো... আর মুঠোফোনে তোমাকে পদ্য লিখতে বসলাম......

পেন্সিল কিনি
বিড়ির বদলে,
বৃক্ষ আঁকি
তোমার আদলে,
উদাস বসে
ভরা বাদলে,
শুধু তোমায়
ভালোবাসব বলে,
সারাক্ষণ এই
মনটা দোলে..।

আমাদের অফিস

আমি যদি আমার মত থাকতে পারি তাহলে আমি যা করি সেইটা শিল্প হওয়ার একটা সুক্ষ সম্ভাবনা থাকে। আর আমাকে যদি নিজের স্বত্তাকে বিকিয়ে জোর করে 'শিল্প' করতে হয় তাহলে সেটা আর যাই হোক স্থাপত্য হয়না।
না, আমাদের অফিস তবুও আর দশটা অফিসের থেকে আলাদা। এখানে নিজের মত করে কিছু করার অল্প বিস্তর সুযোগ পাওয়া যায় বটে! তারপরও শেষ পর্যন্ত সবই আসলে ওই 'কামলা খাটা'... আমি এর কী করি? শুধু নিজেকে বদলে বদলে নতুন ছকে ফেলার চেষ্টা চলে। আর দুই দিন পর পর মনে হয়... এইটা তো আমি না!
তাই সাত সকালে অফিসে বসে আজকে পেন্সিল নিয়ে পদ্য লিখতে বসলাম.....

সব নাট,বল্টু আর প্যাঁচের খেলা।
নাট মেলে তো বল্টু মেলেনা।
বল্টু মেলে তো প্যাঁচ খোলেনা।

নিজেকে নতুন করে পেঁচিয়ে ফেলা...
বারবার নতুন করে মিলিয়ে নেয়া...
দিন শেষে মফিজের মত ভাবতে বসা...
"এই প্যাঁচ তো আমার না!"

এই নাট আমি না, বল্টু আমি না
আমি তোমাদের খেলার কেউ না।
আমাকে কেই খেলতে নিওনা...

ভবঘুরে আমি

আমি এক নতশির হতভাগা পাগল,
নিজের মত ক্ষিণধীর চারপাশে রুদ্ধ আগল।
আমি নি:শ্ব ব্যর্থ ক্লান্ত ভবঘুরে,
খুঁজি তোমার অর্থ, ভেজা চোখ ঘোলা জলে..

Monday, June 16, 2008

মুঠোফোন পদ্য - ১

Dark dark dark,
ঘরে নাই আলো,
বসে আছি, তুমি কোই,
কথা বলো...
Sms আসেনা,
ঘুমায় কেন পেঁচা?
না, ফোনে সমস্যা?
আমার ভাগ্য পচা?

-------------

সারাদিন মাত্র একটা পাওয়া..

তোমার কাছে ঝামটা খাওয়া!

তোমার কথাই ভাবছি বসে..

মনকে শোধু মারছি কোষে,

একটু কথা বললে হত..

ভবঘুরে মন শান্তি পেত!


-------------

একটুকরো হাসিমুখ খুঁজি
এই ঘোলা সন্ধ্যাবেলার আলোতে,
এক ঝলক তিব্র আলোকরশ্মি দেখি
সব জটিলতার কালোতে।

----------------

মাথার তিব্র জন্ত্রণাগুলোর সুক্ষ উপশিরায়
ধোঁয়ার মত তোমার ছবি দেখতে পাই,
ছুতে পারিনা কথনো, তবুও
অন্ধের মত হাতড়াই...
মরতে মরতে বাঁচতে শিখি,
অণু পদ্য তোমায় লিখি,
ঝাপসা চোখে ধোঁয়াটে দেখি,
লিখতে লিখতে 'পেন্সিল' ক্ষয়ে যায়,
তবু একটি বারের জন্যও
তোমার দেখা নাই...।

--------------------

ঘুম পায় না?
তুমি কোই? কি করো?
আমি আধো ঘুমে রাস্তায়,
স্বপ্ন বুনি ছোট-বড়।

-------------------

তুমি নাই কেন?
ভালোলাগেনা আর...

চেয়ে আছি কাকের মত।
মাথায় অন্ধকার,
তুমি কি ঘুমাচ্ছো?
ঘুমাও তাহলে..
শুধু একবার কথা বোল
ঘুম ভাঙলে...।

--------------------

তোমার একটা ঝামটার জন্য
শত রাত জাগতে পারি,
তোমার আঁচলের জন্যই তৈরি হয়
দুনিয়ার সকল শাড়ি,
আর আমি বসে, থাকি স্বপ্ন দেখি,
সাগর মহাদেশ দেই পাড়ি...।

----------------------

ভেজা বাতাসে গর্ভবতি মেঘের
প্রসবের অপেক্ষা সবার,
ভেজার নেশায় চুর হয়ে গুনি
আজ পহেলা আষাঢ় ।

-----------------------

Thursday, June 5, 2008

আমার পোস্টমর্টেম

সেই একই ধ্বংশের পথ। মানি মেকিং মেশিন তৈরির পথ।
সত্যের সাথে থাকলে তুমি সমাজের পথে থাকবেনা এই হলো নিয়ম।
সেই একই ধীরগতির দূষিতকরন। নিজের আজান্তেই ধিরে ধিরে অন্যায়কে ‘হাঁ’ বলতে শুরু করা, তারপর ধিরে ধিরে সেই অন্যায় করার দিকে এগিয়ে যাওয়া... এইতো হয়। আমি আসলে মোটেও ‘অন্যরকম’ না। আমিও যে ওরকমই সেটা প্রমাণ করার পথে আছি এখন... দূষিত হচ্ছি, দুদিন পর আরেকজনকে দূষিত করার যোগ্যতাও অর্জণ করে ফেলব।

আমার ‘অন্যরকম’ হওয়ার চেষ্টাটা একটা নিপাট বোকামি অথবা ভন্ডামি। কারন আমি ‘অন্যরকম’ না। আমি তো দিনে দিনে ঠিক আর দশটা টিপিক্যাল ভন্ড বাঙালি ব্যবসায়ীর মত আচরণ করা শিখে ফেলছি। আলু প্রজাতির টিপিক্যাল বাঙালি ‘বুদ্ধিজিবী’র মত চিন্তা করছি।

আর স্থাপত্যের তো কিছুই শিখছি বলে মনে হচ্ছেনা। সবটাই ভুল পদ্ধতিতে, ভুল সময়ে, মিথ্যা উদ্দেশ্যে, অন্যায়ভাবে বেগার খাটা হচ্ছে।

ভালোবাসতেও ভুলে গেছি। এখন আর কোনকিছুকেই ভালোবাসতে পারিনা, কাওকে ভালোবাসতে পারিনা। আমার শুদ্ধ নিপাট নির্মোহ ভলোবাসার ক্ষমতাটাও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রায়ই মনে হয় আমার সেই শুদ্ধতম ভালোবাসাটুকু নেয়ার মত কেও নাই, সবাই এত ভীত! তাই আমিও ভালোবাসতে ভুলে গেছি।

Tuesday, May 6, 2008

সব অর্থহীন

ওই প্রশ্নটা তো আগেই করেছিলাম, ‘কেন করছি এতসব....?’ আজকে আবার সেই প্রশ্নটা প্রবলভাবে পেয়ে বসেছে আমাকে। এই যে সময় আর কাজ নিয়ে প্রতিদিন যুদ্ধ.... খাওয়া, ঘুম এগুলোর অনিয়ম, রাত যেগে কাজ করা, দেরিতে অফিস থেকে ফেরা, সকালে দেরি করে উঠা (আর প্রতিদিন পণ করা: আর কোনদিন রাত জাগবোনা!)... কেন? কেন এতসব যণ্ত্রনার মধ্যেদিয়ে প্রতিদিন যাচ্ছি? আমি কোন উত্তর খুঁজে পাইনা।
মাঝে মাঝেই মনে হয় সব ছেড়েছুড়ে দেশান্তরি হই.... বনবাসী হই.... (আসলে কি পারব? আমি কি আসলেই অত সাহসী?!)

কাল সকালে ইউনিভার্সিটিতে দুইটা ক্লাস আছে ১ টা পর্যন্ত, দুইটাই একই সময়ে। আর ১১টার সময় তানিয়া আপা, জুমু স্যার এর সাথে ভিয়েতনামের প্রজেক্টটা নিয়ে মিটিং হওয়ার কথা। কিভাবে সম্ভব, আমি জানিনা!


সানজিদের একটা মেসেজ পেলাম একটু আগে। মিথিলা মারা গেছে।

খবরটা পেয়ে কান্না আটকাতে পারলামনা। মিথিলার চিকিৎসার জন্য সাহায্য চেয়ে একটা পোস্টার ডিজাইন করেছিলাম অনেকদিন আগে। নিভেলের সাথে দেখা হলে খোঁজ খবর করতাম। কোনদিন দেখিওনি আমি মেয়েটাকে। কিন্তু এত বেশি কেন কষ্ট হচ্ছে আমি জানিনা।

মিথিলা যখন মারা যায়, নিভেল, সানজিদ ওরা তখন ওর পাশে.... মানুষ এত কষ্ট কিভাবে সহ্য করে! আমি পারিনা, আমি হাওমাও করে কাঁদি কম্পিউটার এর সামনে বসে।

ক্যান্সার নামক রোগটাতে নিশ্পাপ মেয়েটা মারা গেল। আমরা কিছু্ই করতে পারলামনা। সারা দুনিয়ার সব ডাক্তারদের পেশা ছেড়েদিয়ে মুচি হওয়া উচিৎ (তাহলে জুতা স্যান্ডেলের ক্ষতি হত)।

মিথিলাকে বাঁচানো গেলো না? আমরা এত অসহায় কেন?

Thursday, May 1, 2008

মে দিবস?

একটু আগে কবি ইমন রেজার একটা টেক্সট্ পেলাম মোবাইলে, লেখাটা এরকম:

সভ্যতা গড়েছি আমি
শ্রমে আর ঘামে,
হে পৃথিবী শুন:
পানির দামে
বেচেছি আমি,
শরীরের সব নুন।
আমি সেই নিঃস্ব, কাতর
হতভাগা শ্রমিক,
আমি চাই পৃথিবী আমার
ঘামের মূল্য দিক..

লেখাটা ভালো লাগলো। কিন্তু,

হাহ্ ঘামের মূল্য!? শ্রমিকের আবার কোন মূল্য আছে নাকি?
হে শ্রমিককূল: তোমরা ভুল করেও ‘মূল্য’ চাইতে যেওনা।
মূল্য চাইলে ওরা তোমাকে কিনে নিতে চাইবে,
যেভাবে তোমাকে ৮০ টাকায় একদিনের জন্য ওরা কিনে ফেলে!
সব ভুলে যাও দেনা পাওনা, মূল্য চেয়ে নিজেকে ছোট করোনা।

তোমার নুনের দাম কে দেবে বলো? কেউ দিবেনা,
সাত সাগর শুকিয়েও তোমার নুন তৈরি হয়না।

তুমি সভ্যতার শ্রষ্টা, তুমি আমার সামনের মনিটর নির্মাতা,
আমার স্থাপত্যের রাজমিস্ত্রি, তুমিই শ্রেষ্ঠ, তুমিই বিধাতা,
পয়সা দিয়ে জগৎ কেনা যায় তোমাকে না, তোমার ঘামকে না।

মুঈদ ভাইয়া গতকাল সবচে ‘মজার’ গল্পটা বলল, বেশিরভাগ বেসরকারি অফিসে আর কারখানায় নাকি মে দিবসে সবার ছুটি, শুধু শ্রমিক, দারোয়ান আর ক্লাস-৪ এমপ্লয়ীদের কোন ছুটি নাই। হুহু হা হা হা হা হাহা...

Wednesday, April 30, 2008

একদম ফাঁকা ...empty... একা

হঠাৎ করে নিজেকে ভিশন একা মনে হচ্ছে। চারপাশে এত মানুষ... পথে ঘাটে, কাজের ফাঁকে, মোবাইল ফোনে, ইন্টারনেটে সারা দুনিয়ায়... কিন্তু আমি যে কাওকে আমার কথা বলবো এমন কেউ নাই। খুব কান্না পাচ্ছে... কাওকে বুকে চেপে যে আমার কথাগুলো বলব, হাউমাউ করে কাঁদব এমন একটা মানুষও আমার পাশে নাই। খুব নিশ্ব, ফাঁকা মনে হচ্ছে সবকিছু।
যা কিছু করি সব আমার আশেপাশের মানুষগুলোর জন্য করি, সারা দুনিয়ার জন্য করি। নিজের জন্য কি করি শুধু এই লেখাটা ছাড়া? সৃষ্টির আনন্দের আত্মবিলাস, না তাও আমি করিনা... ওই সৃষ্টিগুলোও তো মানুষের জন্যেই। আর সবচে কাছের মানুষগুলো কেন যে আমাকে এত ভুল বোঝে! কেউ বোঝেনা আমি ওদের কত ভালোবাসি। কেউ না, কেউ না, কেউ না....।
এত মানুষের ভিড়ে শেষ পর্যন্তও আমি একা, একদম একা।
সেই কতদিন পর আজকে আমার মায়ের সাথে কথা হলো। কথা বলা এখন কত সহজ, একটা সুইচ চাপ দিলেই হয়! সেই সহজ কাজটা আমার মা আর করে না আগের মত। আমিই ফোন দিলাম। আজকে আমাকে বলে কি... ‘বাড়িতে আসবানা? না আসতে ইচ্ছা করে না?’ আমার হু হু কান্না পায়।
আমি কি যে করছি, কেন করছি, কার জন্য করছি কিচ্ছু আসলে জানিনা। আমি খুব জানার ভাব করি মনেহয়... আমার বন্ধুদের ধারণা, আমি জানি সবকিছু আমি কেন করি। আসলে আমার কোন নির্দৃষ্ট গোল নাই, আমি আসলে কিচ্ছু জানিনা। I’m a miserable empty man. Yeah empty, MT, that’s what my name’s initials as well, my name says I’m mt.
(হা হা হা.. গতকাল এইটা মনিকার আবিষ্কার যে আমি mt. ও হঠাৎ বলে.. see I’m mt (Monica Tusinean) you are mt too (Mohammad Tauheed) we all are empty, absolutely empty.)

ছেঁড়া বুদ্ধি নিয়ে আমার সুখ সৃষ্টির চেষ্টা
হাজারো মানুষের সাথে হয় বৈদ্যুতিক কথাবার্তা
শেষ সুখটুকু কেড়ে নেয় (শালার) বিদ্যুৎ উপদেষ্টা।

সবাই শুধু ভান করে আর রং মাখে
আমিও অজান্তে কখন কবে রঙিন হই
একা বিরক্ত, ঘুমাই কর্পোরেট বৈশাখে।

রঙের মিশ্রণে গিরগিটি হয়ে
মোটেও চিনিনা আজ কেউ কাউকে
শুধু দূরে সরি, ভুল বুঝি, দুর্বল পরাজয়ে।

Monday, April 28, 2008

উন্নয়নের জোয়ার

আজকে একটু আগে লিসা রোশন এর একটা মেইল পেলাম archsociety তে তার সাইট এর লিংক দেওয়াতে উনি মহা খুশি।
টরনটো তে এখন কি কি হোচ্ছে তার মাশাল্লাহ একটা লম্বা ফিরিস্তি। মাল্টিকালচারাল অনুষ্ঠানগুলোর বিবরণ.. এই যেমন ইহুদিরা কি করছে, অর্থডক্স গ্রিকরা কি করছে, ক্যাথলিকদের কি অনুষ্ঠান চলছে এগুলো। বীচের ধারে সাঁতার কাটার গল্প, উনার ছেলেপুলেদের মজার মজার গল্প... তারপর উনার কুকুরটা (নাম ম্যঙ্গো) সে যে এখন মনের সুখে হাড্ডি চিবাচ্ছে সেই সুখদৃশ্যের বর্ণনাও আছে। আহা মানুষ কত সুখে আছে সারা দুনিয়ায় !
আর আমি... সারারাত কাজ করলাম তাই ঘুম থেকে উঠে অফিস গেলাম দুপুর বেলায়। অফিসে বিদ্যুতের অবস্থা একদম আমার মত, বেশির ভাগ সময়ই তার দেখা পাওয়া যায়না। তাই আমরা নিচে লেক এর পাড়ে বসে আড্ডামারি বেশিরভাগ সময়। জুমু স্যার ও কম যায় না... দুপুরে সবাইকে ধরে নিয়ে গেলেন অফিস থেকে হটহাট এ। আমরা গল্প করতে করতে হাটতে হাটতে ২৮ নাম্বার থেকে হটহাটে গেলাম। সারাদিনের আনন্দ বলতে ওইটুকুই। কাজের কাজ কিচ্ছু হয়না। হবে কিভাবে, আমাদের পরম আরাধ্য ইলেকট্রিসিটি কালে ভদ্রে দর্শণ দিয়ে থাকেন.. বিশেষ করে ঠিক যখনটাই আমরা অফিস থেকে বিরক্ত হয়ে পলানোর ধান্দা করছি ওই সময় উনি অল্প সময়ের জন্য উঁকি দেন যেন আমরা পালাতে না পারি।
বাসাই ফিরে শুনি সারাদিন পানি নাই কলে। আহ আর কি লাগে!
বাজারে জিনিস পত্রের দাম এর কথা তো বলতে বলতে সবাই মুখে ফেনা তুলে ফেলল। কোন লাভ হয়না... শুধু রুপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস এর দাম বেড়ে দিগুন হলো একদিনে... এখনতো তিন পয়া, চার পায়া সব ইঞ্জিন ওয়ালা গাড়িগুলো তাদের ভাড়া বাড়াবে চারগুন করে।
আমাদের সুবিধাবাদি মুর্খ বুদ্ধিজিবীবৃন্দ যারা এই সরকার এর সুনাম গেয়ে ধেই ধেই করে নেচেছিলেন তাদের বাসায় নিশ্চয় পানি আছে, উনারা নিশ্চয় আরাম করে টয়লেট সারতে পারেন! বাসায় ফিরে আমি আজ পারিনি... দেখি কাল থেকে উনাদের বাসায় যাব শুভ কাজটা সারতে। উনারা তো সব চিন্তাবিদ, চিন্তা করতে তো ইলেকট্রিসিটি লাগে না... তাই ওইটা উনাদের না হলেও চলে মনেহয়।
আমরা যারা প্রথম থেকেই এই সরকারের বিরোধিতা করেছিলাম মনে, মুখে অথবা লেখায় ওনেকেই তখন আড় চোখে তাকিয়েছিলো। এখন সবাই টের পাচ্ছে কত চালে কত পয়সা যায় আর কত আর্মিতে কত গাধা হয়।
রাজশাহী আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্রদের গুতাগুতি করতে গিয়ে ইতিমধ্যেই সরকার কিন্তু নিজেদের একবার বেকুব, অকার্যকর, দুর্বল, অত্যাচারি এবং অবিবেচক প্রমাণ করেছে। এই সরকারের মনে রাখা উচিত সেই শিক্ষাটা। তাদের ভাষায় দেশে তো সবসময় ‘উন্নয়নের জোয়ার’ বয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সাবধান হওয়া উচিত, জনগন যদি আর একবার কোন কারনে ক্ষিপ্ত এবং একত্রিত হয় তাহলে উনাদের উন্নয়নের জোয়ারে উনারা ভেসে যাবেন। তখন জরুরী অবস্থার চেয়ে দেশ রক্ষা জরুরী হয়ে পড়বে। জলপাই রঙ পরিধানকারিদের বাঙালি জনগন যে ভয় পায়না সেই সহজ তথ্যটা উনাদের মনে রাখা উচিত।

Saturday, April 19, 2008

ঝুলন্ত কাক

হবনা হবনা করেও নষ্ট হয়েই গেলাম মনে হচ্ছে।
আমার আর ভাল্লাগেনা কিছু। হুহ্ এই ভাল্লাগেনা কথাটাকেও মিথ্যা মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে ভাল্লাগেনা তাহলে কেন বেকুবের মত পড়ে আছিস এই যণ্ত্রণার মধ্যে? সরে গেলেই হয়! এর মানে হচ্ছে 'মনের কথা' শুনার দৃঢ় অভ্যাসটা চলে গেছে এখন। দৃঢ় চিত্তে মনের কথা শোনার মত সাহসটাও চলে যাচ্ছে ধিরে ধিরে...... সব এলোমেলো...

মনের জানালা দিয়ে দেখি
একটা কাক ঝুলছে
কারেন্টের তারে....

সচেতন কাক সমাজ
চিৎকার করছে
কষ্টের ভারে...

ওই অচেতন কাক
আর সচেতন হয়না।