ওই প্রশ্নটা তো আগেই করেছিলাম, ‘কেন করছি এতসব....?’ আজকে আবার সেই প্রশ্নটা প্রবলভাবে পেয়ে বসেছে আমাকে। এই যে সময় আর কাজ নিয়ে প্রতিদিন যুদ্ধ.... খাওয়া, ঘুম এগুলোর অনিয়ম, রাত যেগে কাজ করা, দেরিতে অফিস থেকে ফেরা, সকালে দেরি করে উঠা (আর প্রতিদিন পণ করা: আর কোনদিন রাত জাগবোনা!)... কেন? কেন এতসব যণ্ত্রনার মধ্যেদিয়ে প্রতিদিন যাচ্ছি? আমি কোন উত্তর খুঁজে পাইনা।
মাঝে মাঝেই মনে হয় সব ছেড়েছুড়ে দেশান্তরি হই.... বনবাসী হই.... (আসলে কি পারব? আমি কি আসলেই অত সাহসী?!)
কাল সকালে ইউনিভার্সিটিতে দুইটা ক্লাস আছে ১ টা পর্যন্ত, দুইটাই একই সময়ে। আর ১১টার সময় তানিয়া আপা, জুমু স্যার এর সাথে ভিয়েতনামের প্রজেক্টটা নিয়ে মিটিং হওয়ার কথা। কিভাবে সম্ভব, আমি জানিনা!
সানজিদের একটা মেসেজ পেলাম একটু আগে। মিথিলা মারা গেছে।
খবরটা পেয়ে কান্না আটকাতে পারলামনা। মিথিলার চিকিৎসার জন্য সাহায্য চেয়ে একটা পোস্টার ডিজাইন করেছিলাম অনেকদিন আগে। নিভেলের সাথে দেখা হলে খোঁজ খবর করতাম। কোনদিন দেখিওনি আমি মেয়েটাকে। কিন্তু এত বেশি কেন কষ্ট হচ্ছে আমি জানিনা।
মিথিলা যখন মারা যায়, নিভেল, সানজিদ ওরা তখন ওর পাশে.... মানুষ এত কষ্ট কিভাবে সহ্য করে! আমি পারিনা, আমি হাওমাও করে কাঁদি কম্পিউটার এর সামনে বসে।
ক্যান্সার নামক রোগটাতে নিশ্পাপ মেয়েটা মারা গেল। আমরা কিছু্ই করতে পারলামনা। সারা দুনিয়ার সব ডাক্তারদের পেশা ছেড়েদিয়ে মুচি হওয়া উচিৎ (তাহলে জুতা স্যান্ডেলের ক্ষতি হত)।
মিথিলাকে বাঁচানো গেলো না? আমরা এত অসহায় কেন?
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment