১.
প্রতিবাদি গ্রাফিতি শিল্পি দেয়াল ছেড়ে ‘পি.সি’তে,
বন্দি, অর্থললুপ রেশম পোকার বর্ধমান কোকুনে।
মেকি হাসির ক্ষয়ে যাওয়া দাঁত বন্দিত্ব দৃঢ় করে।
মরে যাওয়া চেতনা জ্বলে উঠে পিক্সেলের কারাগারে।
২.
ব্যঙ বেচারা ভালোই ছিলো কুয়োর তলাই ঘুমে
কেন তাকে দুনিয়া চেনালে মিথ্যা কথার ছলে!
অনেক উৎসাহে লাফ দিয়েছিল পার হবে প্রশান্ত
ঘুরেফিরে দেখে একই নোনাজল, ধোঁয়াটে সিমান্ত।
মরা কুয়োই ভালো ছিল তার সুখময় শীতনিদ্রা,
শিশির ভেজানো ঘাস ছিল আর বন্ধু কালো পিপড়া।
Thursday, December 25, 2008
Monday, December 8, 2008
মুঠোফোন পদ্য - ১৮
০৫.১২.২০০৮ । ১৫:৫৩
পথের দুপাশে বিস্তির্ণ
হলুদ সরিষার ভুঁই।
হলুদ মেখে, নেচে নেচে
ছন্দ তুলিস তু্ই!
-----------
১৫.১১.২০০৮ । ২০:২৫
ঝিলের ধারে কলমি ফুলে
বসে সবুজ ফড়িং,
তোর জন্য ধরতে গিয়ে
লাফিয়ে উঠি তিড়িং!
তবুও বলিস আমি নাকি
এককে বারে বোরিং!
------------
২২.১০.২০০৮ । ০১:১৪
মনটা আজকে রাতের
আধখাওয়া চাঁদের মত বিমর্ষ।
আমি তাকিয়ে রই তোর পানে
জল গড়িয়ে যায়... শতবর্ষ।
সাগরের ঢেউ আছড়ে পড়ে
তোর বুকে তীব্র মহাকর্ষ...!
-------------
১৮.১০.২০০৮ । ০০:৪৩
তোমার পথর মনের রূদ্ধ দেয়াল থেকে
কয়েকটা নিষ্ঠুর ইট আমি চুরি করব!
দরজা দেব, জানালা বানাব, সেই ছিদ্রতে,
জ্বেলে দেব সাতটা রঙিন মোমবাতি।
তোমার গোলে যাওয়া মনে সাঁতার দেব
লিখে দিব ঠোটে উঞ্চ নিবিঢ় অনুভূতি।
--------------
০২.১০.২০০৮ । ০৫:০১
ত্রিশ দিন রোজার শেষে
খাবার গন্ধে পাচ্ছে খিধে!
নতুন জামা নতুন বেশে
অনেক ফুরতি করব ঈদে!
-------------
০২.১০.২০০৮ । ০২:২৯
ভাবছো তুমি বড় হয়েছ
এখন কি আর ঈদ আছে হাই!
আর ভেব না এমন করে
জেগে ওঠো আজকে ভোরে,
গান গাও আজ অনেক জোরে
পেট পুরে খাও লাচ্ছা সেমাই!
দেখো ঈদ এখনো মজার হয়!
শুধু আমি আছি অনেক দুরে,
তোমায় স্বপ্নে দেখব বলে
আজ সারাদিন ঘুমের কোলে!
-----------
৩০.০৯.২০০৮ । ২৩:১৯
যেখানেই থাকি যতদুরে,
এ শুধু ভৌগলিক দুরত্বে!
মনে বাজে একই গান
গুনগুন করে তোমার সুরে।
পদ্মার পাড়ে আমি দাড়িয়ে।
তুমি আছো, প্রতিনিয়ত,
রক্তের মাঝে জলকনা হয়ে।
------------
২৮.০৯.২০০৮ । ১১:০৮
শহরের নকল সুখি সমাজে
আমিও সুখি মানুষের মত ঘুরি।
একবুক কষ্ট গিলে ফেলে
আমি হাসিমুখে চিবাই ঝালমুড়ি।
গন্তব্যহীন এলমেল উড়ে বেড়াই
আমি নাটাইহীন কাটা ঘুড়ি।
পথের দুপাশে বিস্তির্ণ
হলুদ সরিষার ভুঁই।
হলুদ মেখে, নেচে নেচে
ছন্দ তুলিস তু্ই!
-----------
১৫.১১.২০০৮ । ২০:২৫
ঝিলের ধারে কলমি ফুলে
বসে সবুজ ফড়িং,
তোর জন্য ধরতে গিয়ে
লাফিয়ে উঠি তিড়িং!
তবুও বলিস আমি নাকি
এককে বারে বোরিং!
------------
২২.১০.২০০৮ । ০১:১৪
মনটা আজকে রাতের
আধখাওয়া চাঁদের মত বিমর্ষ।
আমি তাকিয়ে রই তোর পানে
জল গড়িয়ে যায়... শতবর্ষ।
সাগরের ঢেউ আছড়ে পড়ে
তোর বুকে তীব্র মহাকর্ষ...!
-------------
১৮.১০.২০০৮ । ০০:৪৩
তোমার পথর মনের রূদ্ধ দেয়াল থেকে
কয়েকটা নিষ্ঠুর ইট আমি চুরি করব!
দরজা দেব, জানালা বানাব, সেই ছিদ্রতে,
জ্বেলে দেব সাতটা রঙিন মোমবাতি।
তোমার গোলে যাওয়া মনে সাঁতার দেব
লিখে দিব ঠোটে উঞ্চ নিবিঢ় অনুভূতি।
--------------
০২.১০.২০০৮ । ০৫:০১
ত্রিশ দিন রোজার শেষে
খাবার গন্ধে পাচ্ছে খিধে!
নতুন জামা নতুন বেশে
অনেক ফুরতি করব ঈদে!
-------------
০২.১০.২০০৮ । ০২:২৯
ভাবছো তুমি বড় হয়েছ
এখন কি আর ঈদ আছে হাই!
আর ভেব না এমন করে
জেগে ওঠো আজকে ভোরে,
গান গাও আজ অনেক জোরে
পেট পুরে খাও লাচ্ছা সেমাই!
দেখো ঈদ এখনো মজার হয়!
শুধু আমি আছি অনেক দুরে,
তোমায় স্বপ্নে দেখব বলে
আজ সারাদিন ঘুমের কোলে!
-----------
৩০.০৯.২০০৮ । ২৩:১৯
যেখানেই থাকি যতদুরে,
এ শুধু ভৌগলিক দুরত্বে!
মনে বাজে একই গান
গুনগুন করে তোমার সুরে।
পদ্মার পাড়ে আমি দাড়িয়ে।
তুমি আছো, প্রতিনিয়ত,
রক্তের মাঝে জলকনা হয়ে।
------------
২৮.০৯.২০০৮ । ১১:০৮
শহরের নকল সুখি সমাজে
আমিও সুখি মানুষের মত ঘুরি।
একবুক কষ্ট গিলে ফেলে
আমি হাসিমুখে চিবাই ঝালমুড়ি।
গন্তব্যহীন এলমেল উড়ে বেড়াই
আমি নাটাইহীন কাটা ঘুড়ি।
Subscribe to:
Comments (Atom)