হঠাৎ করে নিজেকে ভিশন একা মনে হচ্ছে। চারপাশে এত মানুষ... পথে ঘাটে, কাজের ফাঁকে, মোবাইল ফোনে, ইন্টারনেটে সারা দুনিয়ায়... কিন্তু আমি যে কাওকে আমার কথা বলবো এমন কেউ নাই। খুব কান্না পাচ্ছে... কাওকে বুকে চেপে যে আমার কথাগুলো বলব, হাউমাউ করে কাঁদব এমন একটা মানুষও আমার পাশে নাই। খুব নিশ্ব, ফাঁকা মনে হচ্ছে সবকিছু।
যা কিছু করি সব আমার আশেপাশের মানুষগুলোর জন্য করি, সারা দুনিয়ার জন্য করি। নিজের জন্য কি করি শুধু এই লেখাটা ছাড়া? সৃষ্টির আনন্দের আত্মবিলাস, না তাও আমি করিনা... ওই সৃষ্টিগুলোও তো মানুষের জন্যেই। আর সবচে কাছের মানুষগুলো কেন যে আমাকে এত ভুল বোঝে! কেউ বোঝেনা আমি ওদের কত ভালোবাসি। কেউ না, কেউ না, কেউ না....।
এত মানুষের ভিড়ে শেষ পর্যন্তও আমি একা, একদম একা।
সেই কতদিন পর আজকে আমার মায়ের সাথে কথা হলো। কথা বলা এখন কত সহজ, একটা সুইচ চাপ দিলেই হয়! সেই সহজ কাজটা আমার মা আর করে না আগের মত। আমিই ফোন দিলাম। আজকে আমাকে বলে কি... ‘বাড়িতে আসবানা? না আসতে ইচ্ছা করে না?’ আমার হু হু কান্না পায়।
আমি কি যে করছি, কেন করছি, কার জন্য করছি কিচ্ছু আসলে জানিনা। আমি খুব জানার ভাব করি মনেহয়... আমার বন্ধুদের ধারণা, আমি জানি সবকিছু আমি কেন করি। আসলে আমার কোন নির্দৃষ্ট গোল নাই, আমি আসলে কিচ্ছু জানিনা। I’m a miserable empty man. Yeah empty, MT, that’s what my name’s initials as well, my name says I’m mt.
(হা হা হা.. গতকাল এইটা মনিকার আবিষ্কার যে আমি mt. ও হঠাৎ বলে.. see I’m mt (Monica Tusinean) you are mt too (Mohammad Tauheed) we all are empty, absolutely empty.)
ছেঁড়া বুদ্ধি নিয়ে আমার সুখ সৃষ্টির চেষ্টা
হাজারো মানুষের সাথে হয় বৈদ্যুতিক কথাবার্তা
শেষ সুখটুকু কেড়ে নেয় (শালার) বিদ্যুৎ উপদেষ্টা।
সবাই শুধু ভান করে আর রং মাখে
আমিও অজান্তে কখন কবে রঙিন হই
একা বিরক্ত, ঘুমাই কর্পোরেট বৈশাখে।
রঙের মিশ্রণে গিরগিটি হয়ে
মোটেও চিনিনা আজ কেউ কাউকে
শুধু দূরে সরি, ভুল বুঝি, দুর্বল পরাজয়ে।
Wednesday, April 30, 2008
Monday, April 28, 2008
উন্নয়নের জোয়ার
আজকে একটু আগে লিসা রোশন এর একটা মেইল পেলাম archsociety তে তার সাইট এর লিংক দেওয়াতে উনি মহা খুশি।
টরনটো তে এখন কি কি হোচ্ছে তার মাশাল্লাহ একটা লম্বা ফিরিস্তি। মাল্টিকালচারাল অনুষ্ঠানগুলোর বিবরণ.. এই যেমন ইহুদিরা কি করছে, অর্থডক্স গ্রিকরা কি করছে, ক্যাথলিকদের কি অনুষ্ঠান চলছে এগুলো। বীচের ধারে সাঁতার কাটার গল্প, উনার ছেলেপুলেদের মজার মজার গল্প... তারপর উনার কুকুরটা (নাম ম্যঙ্গো) সে যে এখন মনের সুখে হাড্ডি চিবাচ্ছে সেই সুখদৃশ্যের বর্ণনাও আছে। আহা মানুষ কত সুখে আছে সারা দুনিয়ায় !
আর আমি... সারারাত কাজ করলাম তাই ঘুম থেকে উঠে অফিস গেলাম দুপুর বেলায়। অফিসে বিদ্যুতের অবস্থা একদম আমার মত, বেশির ভাগ সময়ই তার দেখা পাওয়া যায়না। তাই আমরা নিচে লেক এর পাড়ে বসে আড্ডামারি বেশিরভাগ সময়। জুমু স্যার ও কম যায় না... দুপুরে সবাইকে ধরে নিয়ে গেলেন অফিস থেকে হটহাট এ। আমরা গল্প করতে করতে হাটতে হাটতে ২৮ নাম্বার থেকে হটহাটে গেলাম। সারাদিনের আনন্দ বলতে ওইটুকুই। কাজের কাজ কিচ্ছু হয়না। হবে কিভাবে, আমাদের পরম আরাধ্য ইলেকট্রিসিটি কালে ভদ্রে দর্শণ দিয়ে থাকেন.. বিশেষ করে ঠিক যখনটাই আমরা অফিস থেকে বিরক্ত হয়ে পলানোর ধান্দা করছি ওই সময় উনি অল্প সময়ের জন্য উঁকি দেন যেন আমরা পালাতে না পারি।
বাসাই ফিরে শুনি সারাদিন পানি নাই কলে। আহ আর কি লাগে!
বাজারে জিনিস পত্রের দাম এর কথা তো বলতে বলতে সবাই মুখে ফেনা তুলে ফেলল। কোন লাভ হয়না... শুধু রুপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস এর দাম বেড়ে দিগুন হলো একদিনে... এখনতো তিন পয়া, চার পায়া সব ইঞ্জিন ওয়ালা গাড়িগুলো তাদের ভাড়া বাড়াবে চারগুন করে।
আমাদের সুবিধাবাদি মুর্খ বুদ্ধিজিবীবৃন্দ যারা এই সরকার এর সুনাম গেয়ে ধেই ধেই করে নেচেছিলেন তাদের বাসায় নিশ্চয় পানি আছে, উনারা নিশ্চয় আরাম করে টয়লেট সারতে পারেন! বাসায় ফিরে আমি আজ পারিনি... দেখি কাল থেকে উনাদের বাসায় যাব শুভ কাজটা সারতে। উনারা তো সব চিন্তাবিদ, চিন্তা করতে তো ইলেকট্রিসিটি লাগে না... তাই ওইটা উনাদের না হলেও চলে মনেহয়।
আমরা যারা প্রথম থেকেই এই সরকারের বিরোধিতা করেছিলাম মনে, মুখে অথবা লেখায় ওনেকেই তখন আড় চোখে তাকিয়েছিলো। এখন সবাই টের পাচ্ছে কত চালে কত পয়সা যায় আর কত আর্মিতে কত গাধা হয়।
রাজশাহী আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্রদের গুতাগুতি করতে গিয়ে ইতিমধ্যেই সরকার কিন্তু নিজেদের একবার বেকুব, অকার্যকর, দুর্বল, অত্যাচারি এবং অবিবেচক প্রমাণ করেছে। এই সরকারের মনে রাখা উচিত সেই শিক্ষাটা। তাদের ভাষায় দেশে তো সবসময় ‘উন্নয়নের জোয়ার’ বয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সাবধান হওয়া উচিত, জনগন যদি আর একবার কোন কারনে ক্ষিপ্ত এবং একত্রিত হয় তাহলে উনাদের উন্নয়নের জোয়ারে উনারা ভেসে যাবেন। তখন জরুরী অবস্থার চেয়ে দেশ রক্ষা জরুরী হয়ে পড়বে। জলপাই রঙ পরিধানকারিদের বাঙালি জনগন যে ভয় পায়না সেই সহজ তথ্যটা উনাদের মনে রাখা উচিত।
টরনটো তে এখন কি কি হোচ্ছে তার মাশাল্লাহ একটা লম্বা ফিরিস্তি। মাল্টিকালচারাল অনুষ্ঠানগুলোর বিবরণ.. এই যেমন ইহুদিরা কি করছে, অর্থডক্স গ্রিকরা কি করছে, ক্যাথলিকদের কি অনুষ্ঠান চলছে এগুলো। বীচের ধারে সাঁতার কাটার গল্প, উনার ছেলেপুলেদের মজার মজার গল্প... তারপর উনার কুকুরটা (নাম ম্যঙ্গো) সে যে এখন মনের সুখে হাড্ডি চিবাচ্ছে সেই সুখদৃশ্যের বর্ণনাও আছে। আহা মানুষ কত সুখে আছে সারা দুনিয়ায় !
আর আমি... সারারাত কাজ করলাম তাই ঘুম থেকে উঠে অফিস গেলাম দুপুর বেলায়। অফিসে বিদ্যুতের অবস্থা একদম আমার মত, বেশির ভাগ সময়ই তার দেখা পাওয়া যায়না। তাই আমরা নিচে লেক এর পাড়ে বসে আড্ডামারি বেশিরভাগ সময়। জুমু স্যার ও কম যায় না... দুপুরে সবাইকে ধরে নিয়ে গেলেন অফিস থেকে হটহাট এ। আমরা গল্প করতে করতে হাটতে হাটতে ২৮ নাম্বার থেকে হটহাটে গেলাম। সারাদিনের আনন্দ বলতে ওইটুকুই। কাজের কাজ কিচ্ছু হয়না। হবে কিভাবে, আমাদের পরম আরাধ্য ইলেকট্রিসিটি কালে ভদ্রে দর্শণ দিয়ে থাকেন.. বিশেষ করে ঠিক যখনটাই আমরা অফিস থেকে বিরক্ত হয়ে পলানোর ধান্দা করছি ওই সময় উনি অল্প সময়ের জন্য উঁকি দেন যেন আমরা পালাতে না পারি।
বাসাই ফিরে শুনি সারাদিন পানি নাই কলে। আহ আর কি লাগে!
বাজারে জিনিস পত্রের দাম এর কথা তো বলতে বলতে সবাই মুখে ফেনা তুলে ফেলল। কোন লাভ হয়না... শুধু রুপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস এর দাম বেড়ে দিগুন হলো একদিনে... এখনতো তিন পয়া, চার পায়া সব ইঞ্জিন ওয়ালা গাড়িগুলো তাদের ভাড়া বাড়াবে চারগুন করে।
আমাদের সুবিধাবাদি মুর্খ বুদ্ধিজিবীবৃন্দ যারা এই সরকার এর সুনাম গেয়ে ধেই ধেই করে নেচেছিলেন তাদের বাসায় নিশ্চয় পানি আছে, উনারা নিশ্চয় আরাম করে টয়লেট সারতে পারেন! বাসায় ফিরে আমি আজ পারিনি... দেখি কাল থেকে উনাদের বাসায় যাব শুভ কাজটা সারতে। উনারা তো সব চিন্তাবিদ, চিন্তা করতে তো ইলেকট্রিসিটি লাগে না... তাই ওইটা উনাদের না হলেও চলে মনেহয়।
আমরা যারা প্রথম থেকেই এই সরকারের বিরোধিতা করেছিলাম মনে, মুখে অথবা লেখায় ওনেকেই তখন আড় চোখে তাকিয়েছিলো। এখন সবাই টের পাচ্ছে কত চালে কত পয়সা যায় আর কত আর্মিতে কত গাধা হয়।
রাজশাহী আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্রদের গুতাগুতি করতে গিয়ে ইতিমধ্যেই সরকার কিন্তু নিজেদের একবার বেকুব, অকার্যকর, দুর্বল, অত্যাচারি এবং অবিবেচক প্রমাণ করেছে। এই সরকারের মনে রাখা উচিত সেই শিক্ষাটা। তাদের ভাষায় দেশে তো সবসময় ‘উন্নয়নের জোয়ার’ বয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সাবধান হওয়া উচিত, জনগন যদি আর একবার কোন কারনে ক্ষিপ্ত এবং একত্রিত হয় তাহলে উনাদের উন্নয়নের জোয়ারে উনারা ভেসে যাবেন। তখন জরুরী অবস্থার চেয়ে দেশ রক্ষা জরুরী হয়ে পড়বে। জলপাই রঙ পরিধানকারিদের বাঙালি জনগন যে ভয় পায়না সেই সহজ তথ্যটা উনাদের মনে রাখা উচিত।
Saturday, April 19, 2008
ঝুলন্ত কাক
হবনা হবনা করেও নষ্ট হয়েই গেলাম মনে হচ্ছে।
আমার আর ভাল্লাগেনা কিছু। হুহ্ এই ভাল্লাগেনা কথাটাকেও মিথ্যা মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে ভাল্লাগেনা তাহলে কেন বেকুবের মত পড়ে আছিস এই যণ্ত্রণার মধ্যে? সরে গেলেই হয়! এর মানে হচ্ছে 'মনের কথা' শুনার দৃঢ় অভ্যাসটা চলে গেছে এখন। দৃঢ় চিত্তে মনের কথা শোনার মত সাহসটাও চলে যাচ্ছে ধিরে ধিরে...... সব এলোমেলো...
মনের জানালা দিয়ে দেখি
একটা কাক ঝুলছে
কারেন্টের তারে....
সচেতন কাক সমাজ
চিৎকার করছে
কষ্টের ভারে...
ওই অচেতন কাক
আর সচেতন হয়না।
আমার আর ভাল্লাগেনা কিছু। হুহ্ এই ভাল্লাগেনা কথাটাকেও মিথ্যা মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে ভাল্লাগেনা তাহলে কেন বেকুবের মত পড়ে আছিস এই যণ্ত্রণার মধ্যে? সরে গেলেই হয়! এর মানে হচ্ছে 'মনের কথা' শুনার দৃঢ় অভ্যাসটা চলে গেছে এখন। দৃঢ় চিত্তে মনের কথা শোনার মত সাহসটাও চলে যাচ্ছে ধিরে ধিরে...... সব এলোমেলো...
মনের জানালা দিয়ে দেখি
একটা কাক ঝুলছে
কারেন্টের তারে....
সচেতন কাক সমাজ
চিৎকার করছে
কষ্টের ভারে...
ওই অচেতন কাক
আর সচেতন হয়না।
Subscribe to:
Comments (Atom)